Showing posts with label ব্রাহ্মণ. Show all posts
Showing posts with label ব্রাহ্মণ. Show all posts

Wednesday, December 9, 2020

ব্রাহ্মণ জাতি সর্ব্বদাই পূজনীয়।

ব্রাহ্মণ জাতি সর্ব্বদাই পূজনীয়। তা ভাগবত আদি সকলপুরাণশাস্ত্রে বর্ণনা করেছেন।
কলিকালের আগাম ভবিষ্য বর্ণনা করে যে শাস্ত্র বলাহল তা কল্কিপুরাণ সেখানে ও আমরা পাই যে--
তস্মাদিমে ব্রাহ্মণজাস্তৈঃ পুষ্টাস্ত্রিজগজ্জনাঃ।
জগন্তি মে শরীরাণি তংপোষে ব্রাহ্মণো বরঃ।।
তেনাহং তান্ নমস্যামি শুদ্ধসত্ত্বগুণাশ্রয়ঃ।
ততো জগন্ময়ং পূর্ণং মাং সেবন্তেহখিলাশ্রয়াঃ।। কল্কিপুরাণ প্রথমাংশের ৪/১১,১২
দ্বিজাতি দ্বারাই বেদ প্রকাশ প্রাপ্ত হয়,ঐ বেদ হইতে সংসার সর্ব্ব লোক সুরক্ষিত হইয়াছে।নিখিল লোকই আমার দেহ,সুতরাং আমার দেহপোষণ বিষয়ে দ্বিজাতিই প্রধান সাধন স্বরুপ।এই জন্যই আমিপবিত্র সত্ত্বগুণাশ্রয় হইয়া সেই সকল ব্রাহ্মণকে প্রণাম করি,সকলের আশ্রয় স্বরুপ দ্বিজাতিগণও আমাকে পূর্ণজগন্ময় জ্ঞানে সেবা করেন।।

ভগবান কল্কি আর বললেন যে
ভূদেবা ব্রাহ্মণা রাজন্! পূজ্যা বন্দ্যাঃসুদুক্তিভিঃ।
চতুরাশ্রম্যকুশল মম ধর্ম্ম প্রবর্ত্তকাঃ।।
বালাশ্চাপি জ্ঞানবৃদ্ধাস্তপোবৃদ্ধা মম প্রিয়াঃ।
তেষাং বচঃ পালয়িতুম্ অবতারাঃ কৃতা ময়া।।প্রথমাংশের৪/২৩,২৪
বিপ্রগণ ভূদেব বলিয়া পরিগণিত,সুতরাং তাঁহাদিগের অর্চনা করা ও সৎকথা দ্বারা তাঁহাদিগের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা বিধেয়।তাঁহারা গার্হস্থ্যাদি সকল আশ্রমে অবস্থান পূর্ব্বক আমার ধর্ম্ম প্রচার করিয়া থাকেন।বিপ্রগণের মধ্যে যাঁহারা বালক,তাঁহারাও জ্ঞানবৃদ্ধ,তপোবৃদ্ধ ও মৎপ্রিয় সন্দেহ নাই।তাঁহাদের মুখবিনিঃসৃত বাণী সফল করিবার জন্যই আমি মর্ত্ত্যে আগমন করিয়া থাকি।
ভগবানে এই অপার করুণা আমি নত মস্থকে শ্মরণ করি।হরে কৃষ্ণ।।

Tuesday, December 8, 2020

সত্যকাম জাবালা ব্রাহ্মণ হলো কি করে?

সত্যকাম জাবালা, 
সে যুগে যুবকেরা ব্রহ্মচর্য নিয়ে বেদাধ্যায়ন করতো। সত্যকাম জাবাল একদিন মাকে বললো সেও গুরুকুলে যাবে এবং মাকে তার পরিচয় দেওয়ার জন্য গোত্র কি জানতেে চাইলো। আগে নামের শেষে গোত্র লিখে পরিচয় দেওয়ার রীতি ছিল। সত্যকাম যেহেতু পিতৃ পরিচয় জানতো না তাই মাকে গোত্রের কথা জিজ্ঞাসা করে।
মাতা জাবালা বললেন, "পুত্র তোমার গোত্র আমি জানি না। আমি বহু লোকের পরিচর্যা করে এবং বহু লোকের সঙ্গে বাস করে তোমাকে পেয়েছি। এজন্য তুমি কার দ্বারা জাত হয়েছ তা আমি সঠিক ভাবে জানি না, সেজন্য তোমার গোত্র কি বলতে পারব না। তোমার পরিচয় জানতে চাইলে তুমি বলবে আমি 'সত্যকাম জাবালা'।" সে গৌতম মুনির কাছে গিয়ে বললো,"আমি আপনার কাছে ব্রহ্মচর্যবাস করবো, এজন্য এসেছি।" প্রথা অনুযায়ী গৌতম তার গোত্র জিজ্ঞেস করলেন। সত্যকাম ও মায়ের কথামত জানালেন তিনি নিজের গোত্র জানেন না, তবে তার নাম সত্যকাম জাবাল। এই বলে মা যা বলেছিলেন সবই অকপটে বললেন।
গৌতম মুনি বললেন কোন অব্রাহ্মণ এরকম বাস্তব সত্য বলতে পারে না। এজন্য তেজের দরকার। ব্রাহ্মণ বলেই সত্যকাম এরূপ সত্য বলেছে। তাই গুরু গৌতম সত্যকামকে ব্রহ্মচর্য দিতে সম্মত হয়ে তাকে যজ্ঞের কাঠ আনতে বললেন এবং জানালেন যে তিনি সত্যকামের উপনয়ন দিবেন কেননা সে সত্য হতে বিচ্যুত হয়নি এবং তৎকালে বেদাধ্যয়নের আগে উপনয়নের প্রথা ছিল। উপনয়নের পর সত্যকাম ব্রহ্মচর্য শিক্ষা করতে লাগলেন।

Ekadoshi

তর্পণ বিধি

 আমি প্রথমেই মহালয়া বিষয়ে দু'একটা কথা বলে নিই, তারপর  তর্পণ নিয়ে বিশদভাবে আলোচনা করার চেষ্টা করবো।  মহালয়া মানে শুধু মায়ের আগমন নয়, মহাল...

চারবর্ণের অশৌচ ব্যবস্তা